বিরাট তীব্র অপমানিত হলেন

0
1160

এভাবে যে তাঁকে ট্রোলড হতে হবে, তাও আবার দেশের সমর্থকদের কাছ থেকে, তা বোধহয় আগে বুঝতে পারেননি কোহলি। ক্রিকেটের কদর্য রূপটাও এবারে দেখে ফেললেন তিনি…

নেতৃত্বের দায়িত্ব নেওয়ার পর মসৃন গতিতেই ছুটছিল বিরাট কোহলির জয়রথ। কলকাতায় তাঁর অশ্বমেধের ঘোড়া মুখ থুবড়ে পড়তেই, সাফল্যের অন্য পিঠটাও দেখা হয়ে গেল বিরাট কোহলির। ইডেনে রবিবার ধোনির সঙ্গে পরামর্শ ছাড়াই ডিআরএস কলের জন্য তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে আবেদন করে দেন তিনি। রিভিউ-র সিদ্ধান্তও ভারতের পক্ষে যায়নি। তারপর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় হাসির খোরাক হতে হচ্ছে বিরাটকে।

নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়ার পরেও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চলতি সিরিজের প্রথম দুই ওয়ান ডে’তে ডিআরএসের আবেদনের সময় ধোনিকে দেখা গিয়েছে পুরনো ক্যাপ্টেনের

মেজাজেই। দলের বাকিদের সঙ্গে পরামর্শ ছাড়াই নিজের ইন্সটিঙ্কট প্রয়োগ করে ডিআরএসের জন্য আবেদন করে দিচ্ছিলেন ধোনি। প্রত্যেক ক্ষেত্রেই ধোনির সিদ্ধান্ত নির্ভুল প্রমাণিত হয়েছে রিভিউয়ে।

কোহলিও পরে সাংবাদিক সম্মেলনে বলে দিয়েছিলেন, ধোনির অভিজ্ঞতা এতটাই যে তাঁর সিদ্ধান্ত চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যায়। তবে তাল কেটেছিল রবিবার ইডেনে। ঘটনার সূত্রপাত ইংল্যান্ডের ব্যাটিংয়ের সময়।
২৯তম ওভারে বুমরাহের বলে মর্গ্যানের আউটের আবেদন নাকচ করে দেন আম্পায়ার। এরপরে, কোনও দলের কোনও সতীর্থ ক্রিকেটার কিংবা ধোনির সঙ্গে পরামর্শ করার আগেই ডিআরএসের আবেদন করে দেন বিরাট। দলের নতুন অধিনায়ক যখন ডিআরএস-এর আবেদন করছেন তাঁকে উপেক্ষা করেই, তখন ধোনিকে পিছনে দেখা যায় মৃদু হাসতে।

রিভিউয়ের সিদ্ধান্তও ভারতের বিপক্ষে যায়। তারপরেই আগুনে ঘি পড়ে। সঙ্গেসঙ্গেই বিরাট খলনায়ক বনে যান সোশ্যাল মিডিয়ায়। ট্রোল করা হতে থাকে বিরাটকে। তাদের বক্তব্য একটাই, রিভিউয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কেন বিরাট ধোনির সঙ্গে আলোচনা করে নিলেন না! জনৈক ক্রিকেট ভক্ত লেখেন, ‘বিরাট ভাই, তুমি মহান ক্রিকেটার, এতে কোনও সন্দেহ নেই। তবে ভবিষ্যতে ডিআরএস সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি ধোনির উপরই ছেড়ে দিন।’ দেবেন্দ্র কোটিয়া নামে অপর এক ভক্ত লেখেন, ‘বিরাট কোহলি জি, ধোনি রিভিউ সিস্টেম (ডিআরএস) কখনও ধোনিকে না জিজ্ঞাসা করে নিও না।’ তামান্না নামে এক মাহি-সমর্থক কৌতুক করে বলেন, ‘ধোনি প্রথমেই বুঝতে পেরেছিল, ওটা আউট নয়, তাই ও হাসছিল। কিন্তু বিরাট আগেভাগে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল।’